আকর্ষণীয় আর্টিকেল লেখার ৬টি টিপস। (6 Article writing tips) – Techmoshai

আসসালামু আলাইকুম। আশা রাখি সবাই খুব ভালো আছেন।

সবার সুস্থতা কামনা করে শুরু করছি।

ব্লগিং কে যারা ক্যারিয়ার হিসেবে নিয়েছেন বা ব্লগিং করে খুব ভালো পরিমাণের একটা আর্নিং করবেন ভাবছেন, তাদের জন্য আজকের লেখাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
Article writing

আপনাদের জন্য আমি আজ এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যা মেনে চললে গুগল, বিং বা এরকম সার্চ ইঞ্জিন থেকে হাজার হাজার অর্গানিক ট্রাফিক নিয়ে আশা সম্ভব।

কারণ, আপনি যদি সঠিক নিয়ম মেনে আপনার ব্লগে লেখা না লিখেন তাহলে Google search এ আপনার লেখা র‍্যাঙ্ক করতে পারবে না।

সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথম ১০ সারিতে যদি আপনার ওয়েবসাইটের লেখা আর্টিকেল না দেখায় তাহলে, খুব সম্ভাবনা থাকে যে, আপনার ওয়েবসাইটের ভিসিটর অনেক কমে যাবে।
কি লাভ হবে এত কষ্ট করে লিখে? যদি আপনার লেখা কেও না-ই পড়তে পারে।

আর যেহেতু টাকা আর্নিং এর ব্যাপারটা সবটাই নির্ভর করে ওয়েবসাইট এর ট্রাফিক বা ভিসিটর এর উপর তাই সবার আগে উচিত সার্চ ইঞ্জিন গুলোর নিয়ম মেনে কোয়ালিটি সম্পন্ন আর্টিকেল তৈরি করা।

নিয়ম মেনে কোয়ালিটি সম্পন্ন আর্টিকেল লিখলে আপনার লেখা সার্চ ইঞ্জিনগুলো সবার প্রথমে সবার কাছে পৌছাবে।

আর ট্রাফিক বাড়ার সাথে সাথে আপনার আর্নিং ও সমানতালে বাড়তে থাকবে।

আর্টিকেল লেখা
ভালো ও আকর্ষণীয় আর্টিকেল তৈরী করতে হলে কিছু বিষয় মাথায় রেখে আর্টিকেল লেখা উচিত। মূলত ৬টি বিষয় অবশ্যই মেনে চলা দরকার।

Article লেখার সময় এ বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখলে, ব্লগিং এ খুব তাড়াতাড়ি সফলতা অর্জন করা সম্ভব।

তো, আজকের টিপ্সের টপিক হলো-

কিভাবে একটি সেরা আর্টিকেল লিখতে হয়?

১.সম্পূর্ণ ইউনিক আর্টিকেল লেখাঃ

হ্যাঁ, আপনি যদি মনে করেন যে, আমি একটা ব্লগ খুলবো আর এখান ওখান থেকে লেখা কপি করে আমার ব্লগে পাবলিশ করে অনেক টাকা ইনকাম করে ফেলবো। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।

Google তার ইউজারদের এ সুযোগটা কখনোই দেয়নি। কপি পেস্ট করা পোস্ট গুগলে কখনোই ভালো র‍্যাঙ্ক করতে পারেনা।

কোন লেখা অন্য কোন সাইট থেকে কপি করে নিজের ব্লগ বা সাইটে প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে নিষিদ্ধ।

আর যার থেকে আপনি কপি করলেন, সে চাইলে রিপোর্ট করে কপিকৃত লেখা আপনার ব্লগ থেকে চিরদিনের জন্য মুছে দিতে পারে। যা আপনার সাইটের র‍্যাঙ্কিং এর জন্য ক্ষতিকর।

তাই আমি সবসময়, সবার আগে বলবো আপনি যে লেখাটা লিখবেন তা যেন অবশ্যই ১০০% ইউনিক হয়।

কপি করে বা চুরি করে কখনো কিছু লিখতে যাবেন না। তাহলে ব্লগিং ক্যারিয়ারে কখনোই সফলতা অর্জন করা সম্ভব হবে না।

অন্যদিকে যদি আপনি আপনার লেখাটা সম্পূর্ণ নিজে নিজে লিখেন, তাহলে গুগল এটা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করবে। এবং একটি ১০০% ইউনিক আর্টিকেল হিসেবে তার সার্চ রেজাল্টে দেখাবে।

যা ব্লগের জন্য খুব ই দরকারি। তাই সবসময় চেষ্টা করবেন, নিজে কষ্ট করে ভালো আর্টিকেল লেখার।

আপনি যে লেখাটি লিখেছেন তা কতটুকু ইউনিক তা চেক করার জন্য ইন্টারনেটে অনেকগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে।

আমি আপনাদের সুবিধার্থে ভালো কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা দিয়ে দিচ্ছি।

২. লেখা বিষয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞান নিয়ে আর্টিকেল লিখতে বসুন।

যে বিষয়টি নিয়ে আপনি লিখতে শুরু করবেন বলে ভাবছেন, তার সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান নিয়ে তারপর লিখতে বসুন।

এর ফলে আপনি যখন কোন বিষয় নিয়ে লিখবেন সে বিষয়ের অনেক ইনফরমেশন এবং বিস্তারিত সবকিছু আপনি খুব সহজেই Aricle এ উল্লেখ করতে পারবেন।

কোন প্রবলেম নিয়ে যদি কেউ কমেন্ট করে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি তার উত্তর দিতে পারবেন, কারণ বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ভালো ধারণা আছে। যা সবার জন্য অনেক বেশি হেল্পফুল হবে এবং ইউজার এক্সপেরিয়েন্স ভালো হবে।

পাশাপাশি পাঠকের মনে আপনার ও আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে ভালো ধারনার সৃষ্টি করবে। তারা বারবার আপনার লেখা পড়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইট এ আসবে।

যা ব্লগিং ক্যারিয়ারে ভালো করতে হলে আপনার জন্য খুব প্রয়োজন।

তাই আপনি যে বিষয় নিয়ে লিখতে চান সে বিষয়ে আগে নিজে জানুন, তারপর অন্যদেরকে জানান। বিষয় সম্পর্কে অনলাইনে খুব ভালোমতো রিসার্চ করুন।

সব রকমের তথ্য জানার জন্য আপনাদের হাতের কাছে সব সময়ের জন্য Wikipedia তো আছেই।

৩. (Keyword research) কিওয়ার্ড রিসার্চ করুন।

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভালো ভালো আর্টিকেল লেখার পাশাপাশি keyword research করাটাও জরুরী। তো এখন হয়তো অনেকের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে।
Keyword research কি? বা Keyword research কিভাবে করবো?
আপনি যে বিষয়টি নিয়ে আর্টিকেল লিখছেন, সে বিষয়টি নিয়ে লোকেরা অনলাইনে কেমন সার্চ করছে সেটা জেনে নেওয়াই হলো কিওয়ার্ড রিসার্চ।
আরোও সহজভাবে বলতে গেলে মনে করুন, আমি এখন যে বিষয়টি নিয়ে Article লিখছি তা হলো “কিভাবে একটি সুন্দর আর্টিকেল লিখবেন?” তো এ বিষয়টি নিয়ে কি লোকেরা অনলাইনে সার্চ করে? বা কতটুকু করে? তা জেনে নেওয়াই হলো হলো কিওয়ার্ড রিসার্চ।
ইন্টারনেটে এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে আপনি কোন Word লিখে দিলে, তারা আপনাকে দেখাবে গুগলে তা কি পরিমাণে সার্চ হয়েছে।
Keyword research এর জন্য বেশ ভালো 2টি ওয়েবসাইট ঃ

আপনার লেখার ভাষা যদি হয় বাংলা তাহলে লোকজন ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশ থেকে সে বিষয়ে কেমন সার্চ করছে সেটা আপনি দেখতে পারবেন।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশে বাংলা ভাষাভাষী লোকজন বেশি।

কিওয়ার্ড চেকার ওয়েবসাইট গুলো থেকে যে বিষয়টি নিয়ে লেখতে চান সে বিষয়ে বেশি সার্চ হওয়া শব্দ বাচাই করে নিতে পারেন।

তারপর আপনি আপনার আর্টিকেলের টাইটেলে, শুরুর প্যারাগ্রাফে এবং শেষ প্যারা তে সে শব্দ ব্যবহার করতে পারেন।

তাহলে খুব সম্ভাবনা থাকে লোকেরা সে বিষয়ে গুগলে সার্চ করলে আপনার লেখাটি প্রথম ১০ ওয়েবপেইজ এর মধ্যে দেখাবে।

যা আপনার ব্লগের ভিজিটর অনেক বেশি পরিমাণে বাড়িয়ে দিবে।

আর Onpage SEO (অনপেজ এসইও) এর ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড এর সঠিক ব্যবহার অনেক বেশি ভূমিকা রাখে।

৪. লেখায় ইমেজ (ছবি) এর ব্যবহার।

আপনি যে বিষয় নিয়েই লিখেন না কেন লেখায় অবশ্যই সে সম্পর্কিত এক বা একাধিক ছবি ইউজ করবেন।

এতে আপনার লেখা অনেক বেশি সুন্দর দেখাবে। এবং পাঠকের মনে আপনার লেখা সম্পর্কে ভালো ধারণার জন্ম নিবে। আর পুরো ব্যাপারটা বুঝতেও সুবিধা হবে।

তবে ছবি ব্যবহারে আমাদের ২টি নিয়ম সবসময় মেনে চলা উচিত।
  • কপিরাইট ছবি ইউজ না করা-
  • ছবির সাইজ ছোট রাখা-
কপিরাইট ছবি ব্যবহারে অসুবিধা-
গুগলে সার্চ দিলে হয়তো অনেক ছবি বা ইমেজ আপনার সামনে চলে আসে। তবে সেগুলো লেখায় ব্যবহার করা কপিরাইট আইনে নিষিদ্ধ।
তবে, এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যে গুলো থেকে আপনি কপিরাইট মুক্ত ইমেজ ডাউনলোড করতে পারেন।
কিছু ওয়েবসাইট আছে পেইড (টাকা দিয়ে কিনতে হবে) আবার কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা ফ্রীতেই আপনাকে তাদের ছবি ব্যবহার করতে দিবে। কপিরাইটের কোন ঝামেলা নেই।
কোয়ালিটি সম্পন্ন ফ্রি ইমেজ ডাউনলোড দেয়ার কিছু ওয়েবসাইটঃ
দ্বিতীয় যে কথা হলো তা হচ্ছে- ছবির সাইজ ছোট রাখা।
সবসময় চেষ্টা করবেন ছবির সাইজ ছোট রাখতে (১০০-১৫০kb) । ছবির সাইজ ছোট থাকলে আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড বেড়ে যাবে ফলে আপনার ওয়েবসাইট লোড হবে খুব তাড়াতাড়ি।

উপরের দেয়া ওয়েবসাইট গুলোতে বড় থেকে ছোট সব সাইজের ছবি ডাউনলোড দেয়ার অপশন পাবেন। ছোট সাইজের ছবি ডাউনলোড দিবেন।

আর যদি কোথাও স্ক্রিনশট দেবার প্রয়োজন পরে তাহলে Photo compressor দিয়ে ছোট সাইজের করে নিবেন।

এন্ড্রয়েড বা পিসির জন্য নেটে ছবির সাইজ ছোট করার অনেক এপ্স বা সফটওয়্যার পাবেন।

আর যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজ করেন তাহলে অনেক রকম প্লাগিন পেয়ে যাবেন ছবি ছোট করার জন্য।

কিছু জনপ্রিয় ফটো কম্প্রেশন প্লাগিনঃ

৫. লেখার ফন্ট বড় রাখা ও প্যারা করে লেখা।

আপনি যে লেখাটা লিখছেন, চেষ্টা করবেন তার ফন্ট বড় রাখতে ও ফাঁকা ফাঁকা করে লিখতে। পাশাপাশি কিছু কিছু লেখা(h1, h2, h3) হাইলাইট করে দিবেন।

সাথে লেখার ইম্পর্টেন্ট শব্দগুলো Bold করে দিবেন।

লেখার ফন্ট যদি অনেক ছোট আর হিজিবিজি হয়, তাহলে পাঠকদের তা পড়তে অসুবিধা হবে। তারা আপনার ওয়েবসাইটে এসে সাথে সাথেই চলে যাবে এতে আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যাবে।

যা আপনার ব্লগের জন্য ক্ষতিকর।

অন্যদিকে যদি লেখাটা সুন্দর ফন্টে সাজানো-গুছানো হয় তাহলে আর্টিকেল একটু বড় হলেও পাঠকদের তা পড়তে সুবিধা হবে এবং তারা এতে স্বাছন্দ্য বোধ করবে।
আর পাঠকদের সব রকম সুবিধা নিশ্চিত করলেই আপনার পাঠক সংখ্যা ধরে রাখা ও দিন দিন বাড়ানো সম্ভব।

৬.বিস্তারিত ও সহজ করে লেখা এবং অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দেয়া।

আপনি যদি চান গুগল আপনার ওয়েবসাইট কে সবার উপরে র‍্যাংঙ্ক দিক। তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে আপনার কম্পিটিটর অনেক।

প্রতিযোগিতার এ যুগে আপনার প্রতিযোগী বিশ্বব্যাপি।

এ সময়ে ব্লগ এক্সপার্টরা বলেন, গুগল ১০০০+ ওয়ার্ডের লেখা পছন্দ করে ও সার্চ লিস্টে সবার আগে র‍্যাংঙ্ক দেয়।
অনেকে ১৫০০-২০০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেল ও লিখেন। এত বেশি লিখতে না পারলেও চেষ্টা করবেন কমপক্ষে ৬০০+ ওয়ার্ড এর আর্টিকেল লেখার ।
যে বিষয়টি নিয়ে লিখছেন তা সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে বুঝে বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করবেন। যেন পাঠকেরা আপনার লেখাতেই সবকিছু পেয়ে যায়।
আর সে জন্যই আপনার লেখা হবে অনেকবেশি তথ্যবহুল, সহজ ও বিস্তারিত।

একইভাবে লেখায় অপ্রয়োজনীয় টপিক গুলো এড়িয়ে চলতে হবে। এবং মেইন মেইন পয়েন্ট গুলো পাঠকদের উদ্দেশ্যে খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে।

তাহলে অবশ্যই পাঠকরা আপনার ওয়েবসাইট কে বুকমার্ক করে রাখবে এবং নিয়মিত আপনার ব্লগে আপনার লেখা পড়তে আসবে।

৭. Table of content এর ব্যবহার –

উপরে আপনি হয়তো দেখে থাকবেন আমার পুরো লেখার একটা সামারি টেবিল আকারে রয়েছে।

সম্পূর্ণ লেখার মূল হেডিংগুলো সেখানে রয়েছে। যখনি কেউ কোন হেডিং এ ক্লিক করবে সে সরাসরি সে হেডিং এর লেখায় জাম্প করে চলে আসবে।

এতে পাঠকের যেমন সুবিধা হয়। ঠিক তেমনি বাউন্স রেট অনেক কমে যায়। যা SEO এর ক্ষেত্রে প্রচুর ভূমিকা পালন করে।

পাঠককে ধরে রাখার জন্য, টেবিল অফ কন্টেন্ট খুবই কাজে আসে।

কারণ পুরো লেখা পড়ার প্রয়োজন না হলেও সে লেখাটা সামারি আকারে দেখতে পারে। আর পুরো বিষয়ে একটা ধারণা নিতে পারে।

তাই লেখায় টেবিল অফ কন্টেন্ট ব্যবহার করার পরামর্শ রইলো।

আমাদের শেষ কথাঃ

Amazing article
The end

ব্লগিং বা লেখালেখি করে ওয়েবসাইট যখন একটু পুরাতন হবে এবং ব্লগে আপনার লেখা পড়ে লোকজন উপকৃত হবে।

তখন আপনার ব্লগে হাজার হাজার মানুষ নিয়মিত আপনার লেখা পোস্ট পড়তে আসবে। কারণ ধীরে ধীরে এখন সব কিছুই অনলাইন এ হতে চলেছে।

তখন গুগল এর এডসেন্স এর মাধ্যমে আপনার ব্লগে এড শো করে বা স্পনসর পোস্ট দিয়ে মাস শেষে অনেক টাকাই ইনকাম করা সম্ভব।

অনলাইনে এরকম অনেক ব্লগার আছেন, যারা তাদের জবের পাশাপাশি ব্লগে লেখালেখির মাধ্যমে হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা আয় করছেন। তাও শুধুমাত্র ঘরে বসে থেকেই।

তবে তার জন্য আপনাকে ব্লগের পিছনে সময় দিতে হবে। প্রথমেই টাকার পিছনে না ছোটে ধৈর্য ধরে লিখতে থাকুন। সফল একদিন হবেন-ই।

যদি আপনি ভাবছেন, ব্লগিং বা লেখালেখির মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়বেন। তাহলে উপরের বিষগুলো মেনে আর্টিকেল লেখা খুব জরুরী।

আপনার ব্লগিং লাইফের যে কোন সমস্যায় কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন আর জানিয়ে দিন আপনার সমস্যার কথা। অতিদ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো।

অনেক ধন্যবাদ।

This Post Has 3 Comments

Leave a Reply