আমাদের লেখাকে গুগলের টপ পেইজে নিয়ে আসার জন্য ও অনেক বেশি ট্রাফিক পাওয়ার জন্য SEO সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরী।

যে কোন বিষয়ে আমরা যখন গুগলে সার্চ করি লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট আমাদের সামনে চলে আসে। যদি প্রথম পেজ মানে গুগলের প্রথম ১০ সার্চ রেজাল্টে আপনার ওয়েবসাইট না দেখায়, তাহলে গুগল থেকে আপনি কখনোই ট্রাফিক পাবেন না।

কারণ আমরা সবসময় ১ম, ২য় বা ৩য় এ ওয়েবসাইট গুলোতেই ক্লিক করি সবচেয়ে বেশি।

SEO

SEO কি? (What is SEO in Bangla)

SEO এর ফুল মিনিং হচ্ছে Search Engine Optimization.SEO হচ্ছে এমন কিছু পদ্ধতি প্রয়োগ করা, যাতে কোন বিষয়ে সার্চ করলে সবার আগে আপনার ওয়েবসাইট টি দেখায়।

আমরা জানি গুগলে যে কোন বিষয়ে ই আমরা খোঁজ করি না কেন, সার্চ বাটন চাপার সাথে সাথে অনেক অনেক ওয়েবসাইট আমাদের সামনে চলে আসে।

তবে আমরা সবসময়ই প্রথম বা ২য় ওয়েবসাইট এর লেখাটাই বেশিরভাগ সময় পড়ে থাকি।

আর এতে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী লেখা পেয়ে গেলে, আমরা আর অন্যকোন ওয়েবসাইট এ যাই না বা যেতে হয় না।

তাই আপনি যদি মনে করেন, আপনার ওয়েবসাইটে অনেক বেশি পরিমাণের ভিজিটর দরকার, তাহলে আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন গুলোর বিশেষ করে গুগলের টপ ১০ ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে যেতে হবে।

তাহলেই আপনার ওয়েবসাইটে অনেক বেশি ট্রাফিক আসা শুরু হবে, আর আপনার ইনকাম ও তার সাথে সাথে বাড়তে থাকবে।

SEO না করলে ক্ষতি হবে কি?

আমরা একেকজন একেক কাজে ওয়েবসাইট তৈরী করে থাকি। কেউ ব্লগিং বা লেখালেখি করে, কেউ বিজনেস করে।

তবে সত্যি কথা বলতে, আমরা আমদের ওয়েবসাইট যে কাজের জন্যই বানাই না কেন- আমাদের সবচেয়ে বেশি দরকার ভিজিটর।

আর ভিজিটর নিয়ে আসার অনেক বড় একটি উপায় হচ্ছে, ওয়েবসাইট কে গুগলের টপ ১০, আরোও ভালো হয় ১,২ বা ৩ নং পজিশনে নিয়ে আসা।

তাহলেই ওয়েবসাইট এ আনলিমিটেড ভিজিটর নিয়ে আসা যাবে। সাথে সাথে বিজনেস বা ব্লগিং থেকে অনলাইনে আনলিমিটেড ইনকাম করা সম্ভব হবে।

ভেবে দেখুন তো- আপনি অনেক ভালো ভালো পণ্য নিয়ে বসে আছেন কেউ কিনলোই না, অথবা আপনি খুব কষ্ট করে খুব কোয়ালিটিসম্পন্ন আর্টিকেল লিখলেন। অথচ সে আর্টিকেল কেউ পড়লোই না।

তাহলে কি লাভ বলুন এতো কষ্ট করে?

আর ভিজিটর না আসলে তো ইনকাম সম্ভব ই না।তাই আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে বা ওয়েবসাইট বানানোর কথা ভাবছেন, তাহলে আপনার জন্য SEO সম্পর্কে জানা ও ব্লগে বা ওয়েবসাইটে প্রয়োগ করা খুব ই প্রয়োজন।

Search Engine Optimization

SEO (এস ই ও) কতপ্রকার ও সেগুলো কি কি?

আমরা যতভাবেই এস ই ও সম্পর্কে কথা বলতে যাই, এটা দু-প্রকারের মধ্যেই পরবে।

  1. On page SEO (অন পেজ এস ই ও)

2. Off page SEO (অফ পেজ এস ই ও)মনে রাখবেন, যদিও এ দু-প্রকার এস ই ও (SEO) এর কাজ আলাদা আলাদা তবে দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

চলুন এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

On page SEO কি? অন পেজ এস ই ও কিভাবে কাজ করে?

অন পেজ এস ই ও হচ্ছে, যে SEO এর ব্যবহার আমরা আমাদের ব্লগে বা ওয়েবসাইট করি।

এটা অনেক রকম হতে পারে, যেমন-
ব্লগ তৈরী করার সময় একটি সহজ ও ফাস্ট থিম ব্যবহার করা।ব্লগটি কে SEO friendly করে বানানো।

আকর্ষণীয় আর্টিকেল লেখা ও তাতে “কি ওয়ার্ড ডেনসিটি” ঠিক রেখে “ফোকাস কিওয়ার্ড” ব্যবহার করা।

ফোকাস কি ওয়ার্ড আর্টিকেলের টাইটেল, লিনক ও ডেসক্রিপশনে ব্যবহার করা।

ফোকাস কিওয়ার্ড (Focus keyword): কিছু কিওয়ার্ড কে টার্গেট করে আর্টিকেল লেখা, যাতে গুগল বুঝতে পারে এই লেখাটি আসলে এ সম্পর্কে।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি (Keyword density): ফোকাস কিওয়ার্ড গুলোর পরিমাণ মতো ব্যবহার করাই হলো কিওয়ার্ড ডেনসিটি। প্রতি ১০০০ ওয়ার্ড এর লেখায় ৩-৪ বার ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করা।

On page SEO কিভাবে করবেন?

ব্লগ বা ওয়েবসাইটে অন পেজ এস ই ও করার অনেকগুলো কার্যকরী উপায় রয়েছে।

যেগুলো আপনার Website এ ও লেখায় প্রয়োগ করলে আপনার লেখা হবে SEO friendly আর তা গুগলে র‍্যাঙ্ক ও করবে খুব সহজেই।

আসুন পদ্ধতি গুলো জেনে নেই।

1. Website এর লোডিং স্পীড দ্রুত করুন।

আপনার ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পীড এস ই ও এর ক্ষেত্রে অনেক বেশি ভূমিকা রাখে।

বর্তমান সময়ে SEO expert দের মতে, ওয়েবসাইট 2-4 সেকেন্ডের মধ্যে লোড হওয়া সবচেয়ে ভালো।এতে ওয়েবসাইট লোড হতে হতে আপনার ভিজিটর চলে যাবে না।

আর গুগলের ১ম পাতায় র‍্যাঙ্ক পেতেও ওয়েবসাইট লোডিং স্পীড অনেক বেশি ভূমিকা রাখে।।

2. বিস্তারিত আর্টিকেল লিখুন।

এখন ব্লগার রা যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি মানেন তাহলো, কন্টেন্ট গুলো একটু বিস্তারিত লেখা।

কমপক্ষে লেখা গুলো যেন ১০০০+ ওয়ার্ডের হয়।তাহলে গুগল বুঝতে পারবে, বিষয়টি সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত ও গভীরভাবে আলোচনা করেছেন।

তাহলে তা সবার আগে র‍্যাঙ্ক পাবে।তবে অবশ্যই প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।

ভিজিটর দের যদি পড়তেই ভালো না লাগে তাহলে তো সে ভিজিটর ২য় বার আপনার এখানে পড়তে আসবে না।

3. লেখায় Internal ও external লিংক এর ব্যবহার করুন।

Internal link হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট এর এক আর্টিকেলের লিংক অন্য আর্টিকেলে দিয়ে দেয়া।

যেমন আমি উপরে “ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পীড” এর উপর বিস্তারিত সুন্দরভাবে লেখা একটি লিংক দিয়ে দিয়েছি।

External link হচ্ছে, অন্য কোন ওয়েবসাইট এর লিংক আপনার লেখায় দিয়ে দেয়া।মনে করুন, আমি Wikipedia সম্পর্কে কিছু বললাম। আর তাতে Wikipedia এর লিংক দিয়ে দিলাম।

এতে গুগল বুঝতে পারে লেখাটি অনেক যাচাই বাচাই করে অনেক সোর্স থেকে তথ্য নিয়ে লেখা হয়েছে।

4. বিশেষ বিশেষ জায়গায় ফোকাস কিওয়ার্ড এর ব্যবহার করুন।

আপনার লেখার বিশেষ কিছু স্থানে অবশ্যই ফোকাস কিওয়ার্ড এর ব্যবহার করবেন, যেমন-

  • লেখার টাইটেল এ
  • লিংক ও ডেসক্রিপশনে
  • H1, H2, H3 হেডিং এ
  • লেখার প্রথম ও শেষ প্যারায়।

গুগল এ জায়গা গুলো বেশি করে দেখে ও তাতে Focus keyword থাকায় সহজে বুঝতে পারে, এই লেখাটি এ প্রসঙ্গে।

5. টেবিল অফ কন্টেন্ট এর ব্যবহার –

টেবিল অফ কন্টেন্ট হচ্ছে আপনার পুরো লেখার একটি সামারী বা সংক্ষিপ্ত অবস্থা।

লেখার শুরুতে একটি টেবিল অফ কন্টেন্ট ব্যবহার করলে, লোকেরা পুরো বিষয়টি সম্পর্কে মুটামুটি একটা ধারণা নিতে পারে।যা আপনার লেখা পড়তে তার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। গুগল ও এটা পছন্দ করে।

6. Image ALT ট্যাগ ব্যবহার অবশ্যই করবেন।

আমরা আমাদের লেখা সুন্দর ও সহজে বুঝানোর জন্য বিভিন্ন ইমেজ ব্যবহার করি। সে ছবি গুলোর alt tag এ আপনি ফোকাস কিওয়ার্ডের ব্যবহার করবেন।

এতে আপনার লেখা অনেক বেশি এস ই ও ফ্রেন্ডলি হবে ও সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সহজেই র‍্যাঙ্ক করবে।

Off page SEO কি?

Off page SEO হচ্ছে এমন কিছু কাজ, যা আসলে আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে করতে পারি না।

On page SEO তে আমরা যেমন সবকিছু আমাদের ওয়েবসাইটে বা লেখার ভিতরে করি, অফপেজ এস ই ও তার সম্পূর্ণ আলাদা।

মানে এ ধরনের এস ই ও করতে হবে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের বাইরে।

Off page SEO কিভাবে করবো?

আপনার ওয়েবসাইটে সঠিকভাবে অফ পেজ এস ই ও করার জন্য আপনার জন্য আমি সবচেয়ে ভালো ও কার্যকরী কিছু পদ্ধতির কথা সহজভাবে, পয়েন্ট আকারে বলবো।

যেগুলো ফলো করলে আপনিও একজন SEO EXPERT হয়ে উঠবেন ও আপনার ওয়েবসাইট কে গুগলের প্রথমে নিয়ে আসতে পারবেন।
তো চলুন, শুরু করা যাক।

1. ব্লগ বা ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে জমা দিন।

আপনি চাইছেন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটটি কে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সবার আগে দেখানোর জন্য।

তবে তার জন্য তো আপনাকে সবার আগে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে জমা দিতে হবে। তাহলেই তো Search engine গুলো বুঝতে পারবে, আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে। তাই না?

বর্তমানে, অনেক গুলো সার্চ ইঞ্জিন আছে। যেগুলোতে আমরা আমাদের ওয়েবসাইট সাবমিট (জমা) করতে পারি।

সবচাইতে জনপ্রিয় ৩টি Search engine হলো-

  • Google
  • Bing
  • Yahoo

এ সকল Search engine গুলোতে ওয়েবসাইট জমা দেয়ার জন্য, Google search consoleBing webmaster ব্যবহার করতে হয়।

2. সোশ্যাল মিডিয়া তে প্রোফাইল তৈরী করুন।

আপনার ওয়েবসাইটের জন্য Social media তে প্রোফাইল বানিয়ে নিন। এতে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা বাড়বে ও ট্রাফিক(ভিজিটর) বাড়বে।

আর এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের উপর Search engine গুলোর ট্রাস্ট বেড়ে যাবে।

যেমন মনে করুন,
আপনি আপনার ওয়েবসাইটের নামে ফেসবুকে একটি পেজ/গ্রুপ তৈরী করলেন। Tweer বা Instagram এ নামে প্রোফাইল বানিয়ে নিলেন।
আর তাতে আপনার বন্ধুবান্ধব সহ আরোও অনেক কেই যুক্ত করে নিলেন।

এখন আপনার কাজ হচ্ছে, এই সব পেজ/গ্রুপ/প্রোফাইল গুলোতে আপনার লেখা আর্টিকেল বা আপনার বিজনেস এর প্রোডাক্ট শেয়ার করলেন সাথে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলেন।

এতে করে সম্পূর্ণ ফ্রীতেই আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ভালো একটা কমিউনিটি তৈরী হয়ে যাবে। যা আপনার প্রোডাক্ট টি বা আপনার আর্টিকেল টি অন্যের কাছে পৌছানোর অনেক বড় একটা মাধ্যম।

আমাদের ও টেকমশাই নামে ফেসবুকে গ্রুপ ও অফিশিয়াল পেজ রয়েছে। যার মাধ্যমে আমরা খুব ভালো করে অন্যদের কাছে পৌছাতে পারছি।

3. Backlink (ব্যাকলিংক) তৈরী করুন।

আপনার ওয়েবসাইট টি গুগলের প্রথম পেজে নিয়ে যাবার জন্য ও অনেক বেশি ভিজিটর পাবার জন্য “Backlink” অনেক কার্যকরী একটি পদ্ধতি। যার ব্যকলিংক যত বেশি তার “DA PA” ততই বেশি থাকবে।

ব্যকলিংক কি? (What is backlink?)

ব্যকলিংক হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট এর url link বা ঠিকানা অন্য কোন ওয়েবসাইট এ দিয়ে দেয়া। যাতে তারা অন্য ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইট এ আসতে পারে।

তবে মনে রাখবেন, যে সমস্ত ওয়েবসাইট এর DA PA বেশি, সেগুলো থেকেই ব্যকলিংক নিবেন।DA ও PA চেক করার ওয়েবসাইট –

এ ওয়েবসাইট এ যেয়ে, আপনি যে ওয়েবসাইটের ডিএ পিএ দেখতে চান, তার হোমপেজ এর লিংকটি দিয়ে দিলেই দেখতে পাবেন।

DA PA: DA হচ্ছে Domain authority আর PA হচ্ছে Page authority…. এ দুটি যত বেশি থাকবে ততো ই ভালো।

ব্যকলিংক কিভাবে বানাতে হয়?

(How to create backlink?)

ব্যকলিংক বানানোর জন্য বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। যেগুলোর মাধ্যমে ব্যাকলিংক তৈরি করে আমরা আমরা অন্য ওয়েবসাইট এর ভিজিটর কে আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়ে আসতে পারি।

4. Directory submission ইউজ করুন।

Directory submission ওয়েবসাইট হচ্ছে এমন কিছু ওয়েবসাইট যেগুলো অন্যান্য ওয়েবসাইটের ঠিকানা জোগাড় করে রাখে।

এরকম কোন ওয়েবসাইটে আপনি যে ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট চাইবেন, তারা আপনাকে তার লিস্ট দিবে।

মনে করুন, আপনার একটি ব্লগ ওয়েবসাইট আছে টেকনোলজি বা প্রযুক্তি বিষয়ে।

এখন আপনি সেখানে আপনার ওয়েবসাইটটি কে জমা দিবেন।ফলে তা প্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগ গুলোর তালিকায় আপনার ব্লগটি কেও দেখাবে।

আপনি গুগলে একটু সার্চ করলেই, এমন অনেক Directory submission ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন।

5. অন্যের লেখা আর্টিকেলে কমেন্ট করার মাধ্যমে।

অন্যের লেখা আর্টিকেলে কমেন্ট করেও আপনি ব্যাকলিংক বানাতে পারেন।মনে করুন, আপনার ব্লগ টি হেলথ সম্পর্কিত।

তাহলে হেলথ নিয়ে আরোও যে ব্লগ গুলো লেখা পাব্লিশ করে, তাতে আপনি কমেন্ট করুন ও আপনার লেখার লিংক দিন।

এভাবেও আপনি খুব সহজেই backlink তৈরী করতে পারেন। আমার মতে এটা অনেক সহজ একটা উপায় backlink create করার জন্য।

তবে ভালো ফলাফলের জন্য, আপনার লেখার সাথে সম্পর্কিত লেখায় কমেন্ট করুন।
হেলথ হলে হেলথ অথবা টেকনোলজি হলে টেকনোলজি অথবা অন্যকিছু।

6. Guest posting এর মাধ্যমে ব্যাকলিংক বানিয়ে নিন।

Guest posting হচ্ছে, অন্যের ওয়েবসাইট এ কন্টেন্ট লেখা।

আমি যদি অন্য কোন ব্লগে গিয়ে লিখি বা অন্যকেউ যদি আমার এ “টেকমশাই” এ এসে লেখালেখি করে তাহলে আমরা এটাকে guest posting বলে থাকি।

এখন মনে করুন, আমি A নামের একটি ব্লগে “কিভাবে একটি কোয়ালিটিসম্পন্ন আর্টিকেল লিখবেন?” এ বিষয়ে একটি লেখা লেখলাম।লিখতে লিখতে যখন SEO সম্পর্কে কথা আসলো, তখন আমি আমার এ লেখার লিংক দিয়ে আসলাম।

আর বলে দিলাম যে, এতে বিস্তারিত সুন্দর ভাবে SEO সম্পর্কে বলা আছে।

তখন স্বাভাবিক ভাবেই সে ওয়েবসাইট এ আমার ব্লগের জন্য একটি ব্যকলিঙ্ক তৈরী হয়ে গেলো।

যা ঐ ব্লগের ভিজিটর আমার ব্লগে নিয়ে আসবে ও গুগলে র‍্যাঙ্ক পেতে অনেক কাজে দিবে।

আশা করি guest posting এর ব্যাপারটা সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পেরেছেন।

শেষ কথা-

পুরো লেখাটি পড়লে আমি নিশ্চিত, SEO এর মানে কি? SEO কিভাবে কাজ করে? SEO কিভাবে করবো?

ইত্যাদি বিষয়গুলো বুঝতে পেরেছেন। কোন জিজ্ঞাসা থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।ধন্যবাদ।

By Techmoshai Amin

টেকনোলজি সম্পর্কে পড়তে ভালোবাসি, লিখতে ভালোবাসি।

3 thoughts on “SEO মানে কি? SEO কিভাবে করবো? (Onpage ও Offpage SEO- বিস্তারিত)”
    1. ১.প্রথমে search console tool এ গিয়ে আপনার ব্লগার জিমেইল দিয়ে start করুন। অটো ভেরিফাই না হলে, যে কোডটি দিবে তা হেডিং সেকশনে পেস্ট করুন।
      ২. Sitemap generator website থেকে আপনার সাইটম্যাপ তৈরী করতে পারেন। আর সার্চ কন্সোলে সাবমিট করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *